১৫ টাকার পেঁয়াজই ২৫০ টাকা!

১৫ টাকার পেঁয়াজই ২৫০ টাকা!

ঢাকা: ছয় মাস আগে কৃষকরা যে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ১৫ থেকে ১৭ টাকায়, বর্তমানে সে পেঁয়াজের কেজি আড়াইশ’ টাকা। কৃষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা মজুদ করার পরই পেঁয়াজের দাম বাড়া শুরু করে। এক্ষেত্রে ধান-চালের মতো পেঁয়াজের ক্ষেত্রেও সরকারি তদারকির দাবি জানান তারা।

বাংলাদেশের বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৬ লাখ টন। যার মধ্যে স্থানীয় উৎপাদন ১৮ লাখ টন। বাকি চাহিদা পূরণে ৮ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। যার বেশির ভাগই আসে পাশের দেশ ভারত থেকে। দেশটি মাস তিনেক আগে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য দ্বিগুণের বেশি করে। তখন থেকেই হু হু করে দেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। একটু পেছনে ফিরলেই দেখা যায়, দেশের পেঁয়াজের প্রধান মৌসুমে ছয় মাস আগে কৃষকদের প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। কৃষক থেকে ব্যবসায়ীদের হাতে যাওয়ার পরই দাম বাড়তে থাকে পেঁয়াজের।

আগাম জাতের যে পেঁয়াজ লাগিয়েছেন কৃষকরা তা উঠতে শুরু করবে কয়েক দিনের মধ্যেই। যদিও এ পেঁয়াজও বৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। ভালো দাম থাকায় কৃষক কিছুটা আগেই মুড়িকাটা পেঁয়াজ তুলবেন বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। যদিও এ পেঁয়াজ দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় না। সারাদেশে ২ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়। গত পাঁচবছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে পেঁয়াজের উৎপাদনও। তাই কৃষক পর্যায়ে ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে পারলে স্থানীয়ভাবেই পেঁয়াজের চাহিদা মেটানো অসম্ভব নয়।