চলচ্চিত্রের প্রচার এখন এফডিসিতেই সীমাবদ্ধ!

চলচ্চিত্রের প্রচার এখন এফডিসিতেই সীমাবদ্ধ!

বিনোদন প্রতিবেদক: এফডিসিতে প্রবেশ করতে গেলেই দেখা যায নির্মাণাধীন বা মুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে এমন ছবির বড় বড় পোস্টার ব্যানার আকারে ঝুলছে। এমনও দেখা যায়, পোস্টারগুলো দেওয়ালের সঙ্গে সেঁটে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব ছবি ঝুলানো বা দেয়ালে সেঁটে দেয়ার জন্য এফডিসি কর্তৃপক্ষের অনুমতি আছে কিনা সেটা কেউ বলতে পারেননি। এমনকি সংশ্লিষ্টারাও এর কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

উল্লেখ্য, এ সময়ে যেসব ছবির প্রচারচিত্র এফডিসি চত্বরে দেখা যাচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে – বেগম জান, ডেঞ্জার জোন, মাফিয়া গ্যাং, হৃদয় জুড়েসহ আরো কিছু ছবি। প্রশ্ন হচ্ছে, ছবি মুক্তি পাবে সিনেমা হলে। দেখবে দর্শক। এফডিসিতে তো দর্শকের বসবাস নেই বা দর্শকতো এফডিসিতে যাতায়াতও করে না। তাহলে এসব পোস্টার প্রচারচিত্র হিসেবে রাস্তাঘাটে বা পাবলিক প্লেসে ব্যবহার না করে এফডিসিতে কেন? এর জবাবে এফডিসির ক্যান্টিন সংলগ্ন চিত্রগ্রাহক সমিতির সামনে বসে চিত্রগ্রাহক আজগর আলী বলেন, ‘এর একটা মনস্তাত্ত্বিক দিক আমরা ভেবে নিতে পারি।

চলচ্চিত্রের নির্মাণ এখন আর এফডিসির চৌহদ্দিতে সীমাবদ্ধ নয়। এফডিসিতে একটি ছবির শুটিং হলে সেটা চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সবার কাছে জানা হয়ে যায়। এখন যেহেতু এফডিসির বাইরে প্রচুর ক্যামেরা পাওয়া যায়, সেহেতু বাইরে শুটিং হয়। কোথায় কোন ছবির শুটিং হচ্ছে সেটা কেউ জানে না, বা কেউ খবর রাখার দরকারও মনে করে না। সেজন্য সম্ভবত নির্মাতা ও টেকনিশিয়ানদের জানান দেয়ার জন্য এবং নিজেদের অস্তিত্ব বুঝানোর জন্য এসব পোস্টার টাঙ্গানো হচ্ছে।’ এভাবে আরো অনেকেই রসিকতা করছিল এসব পোস্টার টাঙ্গানো নিয়ে। কিন্তু পোস্টারগুলোতে যেসব শিল্পীদের তালিকা দেখা গেল তারা চলচ্চিত্র শিল্পকে কতোটা রক্ষা করতে পারবে? সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে যেসব শিল্পীরা দর্শকের কাছে বা কিছুটা হলেও জনপ্রিয় তাদের কেউ নেই এসব ছবিতে। এসব ছবিগুলো মুক্তি পাওয়ার পর কোনটির কি হবে বলা যাচ্ছে না। কিন্তু এসব নির্মাতাদের ছবি আগেও মুক্তি পেয়েছে।