আশরাফুলের পর এবার স্বীকার সাকিব

আশরাফুলের পর এবার স্বীকার সাকিব

ম্যাচ পাতানোর দায়ে শাস্তি পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটারের নাম মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০১৩ সালে বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন আশরাফুল। এবার, নিষিদ্ধ হলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
বিপিএলের এক ম্যাচ পাতানোর প্রমাণ হাতে নিয়ে আইসিসিরি অ্যান্টি করাপশন ও সিকিউরিটি ইউনিট- আকসু জিজ্ঞাসাবাদ করে আশরাফুলকে। পরে, গণমাধ্যমে এই ফিক্সিংয়ের তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর, আশরাফুলও সংবাদ সম্মেলনে অকপটে দায় স্বীকার করে নেন। এরপর, বাংলাদেশ দলের এক সময়ের এই সেরা ক্রিকেটার হয়ে যান নিষিদ্ধ।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ফিক্সিংয়ের থাবার শুরুটা তখন, তবে বিশ্ব ক্রিকেটে বহু পুরোনো। ইতিহাসে ম্যাচ পাতিয়ে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া ক্রিকেটারের সংখ্যাটা বেশ লম্বা। বর্তমান পাকিস্তান দলে থাকা মোহম্মদ আমিরকে সাথে নিয়ে মোহম্মদ আসিফ আর সালমান বাটের স্পট ফিক্সিং কেলেংকারির উদাহরণ জানেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক হ্যানসি ক্রোনিয়ে থেকে শুরু করে ভারতীয় ক্যাপ্টেন আজহারউদ্দিন, পাকিস্তানের সেলিম মালিক…সবাই হয়েছেন দোষী সাব্যস্ত। উপমহাদেশেই ফিক্সিংয়ের প্রভাবটা ছিলো বেশি।

তবে, সাকিব আল হাসানকে যে দোষে অভিযুক্ত করা হচ্ছে, সেই তথ্য গোপন করার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় ২০১৩ তে বিপিএল খেলা শ্রীলঙ্কার কৌশল লুকুয়ারাচ্চিকে ১৮ মাস এবং ৩৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার লু ভিনসেন্টকে।

এক ক্রিকেট জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন করায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির দুই বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়েন সাকিব আল হাসান। তবে, ভুল স্বীকার করায় তার এক বছরের শাস্তি কমানো হয়েছে। সাকিবের এই নিষেধাজ্ঞায় দেশের ক্রিকেটের কতটা ক্ষতি হয়ে গেলো তা ক্রিকেট পাগল জাতির বিক্ষোভেই স্পষ্ট।