এফডিসিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকলেন মিশা-জায়েদ প্যানেল

বিনোদন প্রতিবেদক: আগামী ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম বিএফডিসি প্রাঙ্গন। নির্বাচন নিয়ে রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। অন্যদিকে ক্ষমতা আর আমিত্ব প্রকাশে ব্যস্ত চলচ্চিত্রের কিছু মানুষ। এদের সংখ্যা কম হলেও এরা একে অন্যের সঙ্গে রেষারেষি, ক্ষমতা প্রদর্শনে ব্যস্ত। এফডিসিতে শিল্পীদের দেখা মিলে কালেভদ্রে। তারপরও এফডিসি লোকে লোকারণ্য থাকে অধিকাংশ সময়। এদের বেশিরভাগ বহিরাগত।

মাঝেমধ্যে নীরব, নিস্তব্ধ এফডিসি রাতের আধারে গর্জে উঠে! প্রায়ই শোনা যায় অপ্রীতিকর ঘটনার কথা। সর্বশেষ গত সোমবার চিত্রনায়িকা মৌসুমীর সঙ্গেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এসব অপ্রীতিকর ঘটনার পেছনে জড়িয়ে আছে বহিরাগতরা। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সমিতিগুলোর নির্বাচনের সময় গর্জে ওঠে এফডিসি। নিজেদের শক্তি আর ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য বহিরাগতদের নিয়ে শোডাউন করা হয়। আর এসব বেশিরভাগ হয় রাতে। এদিকে অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার (১৬ আক্টোবর) বহিরাগতদের নিয়ে চিত্রনায়িকা মৌসুমী এফডিসিতে মিছিল করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মিশা-জায়েদ প্যানেল আজ সন্ধ্যা সাতটায় এফডিসিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন। কেপিআইভুক্ত একটি এলাকায় কীভাবে বহিরাগতরা প্রবেশ করে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়? এসব ঘটনার পেছনে বহিরাগতদেরই দায়ী করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এবার সভাপতি পদে মিশা সওদাগরের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মৌসুমী। গত ৫ অক্টোবর ২০১৯-২১ মেয়াদের শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা থেকে জানা যায়, সভাপতি পদে লড়াই করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও খলনায়ক মিশা সওদাগর। সহসভাপতির দুটি পদে প্রার্থী হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াস কোবরা। সহসাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন আরমান ও সাংকো পাঞ্জা।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অভিনেতা সুব্রতর বিপরীতে কোনো প্রার্থী নেই। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন নূর মোহাম্মদ খালেদ আহমেদ ও চিত্রনায়ক ইমন। দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে একাই রয়েছেন জ্যাকি আলমগীর। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে লড়বেন জাকির হোসেন ও ডন। কোষাধ্যক্ষ পদে অভিনেতা ফরহাদের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। অর্থাৎ সুব্রত, জ্যাকি, আলমগীর ও ফরহাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদ সদস্যের ১১টি পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন ১৪ জন। তাঁরা হলেন অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, বাপ্পারাজ, রঞ্জিতা, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী, নাসরিন, মারুফ আকিব ও শামীম খান (চিকন আলী)।