সংসদে বঙ্গবন্ধুর যৌক্তিকতার ছোট্ট উদাহরণ এমপি, আক্তার উদ্দিন মিয়া

একদা বঙ্গবন্ধু জাতীয় সংসদে দাড়িয়ে বললেন “গতকাল আমি আমার সংসদ সদস্যদের জমাকৃত টি.এ.(সংসদে যোগদানের জন্য যাতায়ত ভাতা) বিল গুলি দেখছিলাম কিন্তু প্রতিটা বিলই হাজার টাকার উপরের আর এর মধ্যে একটা বিলের পরিমান দেখে আমার চোখ আটকে যায় আর সেটা হচ্ছে বিলের পরিমান মাত্র ৬২ টাকা।
বিলটি ছিলো গোপালগঞ্জ ২ আসনের (কাশীয়ানী,মুকসুদপুর) সাংসদ আক্তার উদ্দিন মিয়ার। পেশায় মুক্তার ছিলেন বলে বঙ্গবন্ধু বললেন “আক্তার মুক্তার সাহেব দাড়ানতো”,তারপড় বঙ্গবন্ধু বললেন “মুক্তার সাহেব আপনি মাত্র ৬২ টাকা বিল করলেন কেনো”?

তিনি বললেন নেতা আমি প্রথমে স্টীমারে আসছি সেখানে স্টীমারের কন্ডাকটর আমাকে চিনতে পেরে পিড়াপিড়ি সত্তেও আমার থেকে ভাড়া নেয় নি, এরপর স্টীমার থেকে নেমে বাস আর বাস থেকে রিক্সায় এমপি হোস্টেলে পৌছাতে আমার ঐ টাকাই লেগেছে। তার কথা শেষে বঙ্গবন্ধু বললেন ” আমি যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছি তা এমন সৎ, নীতিবান নেতারাই গড়তে পারবে।

উপরে উল্লেখিত যে সৎ ও নিষ্ঠাবান এমপির কথা বলা হয়েছে সে আর কেউ নয় সে হচ্ছে গোপালগঞ্জ ২ আসনের (কাশীয়ানী,মুকসুদপুর) সাংসদ মরহুম আক্তার উদ্দিন মিয়া।

আরো একটু বিস্তারিত ঘাটলে জানা যায় তিনি ছিলেন-

মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,
জাতির পিতার ঘনিষ্ট সহচর,
বাংলাদেশের মূল সংবিধানে স্বাক্ষরদাতা।
কাশিয়ানী থেকে১৯৭০ ও ১৯৭৯ সালে নির্বাচিত এম.পি.
২য় বিশ্বযুদ্ধের রনাঙ্গণের সৈনিক,
বঙ্গবন্ধুর ফিল্ড মার্শাল মন্টোগোমারি, ও
গোপালগঞ্জ মহাকুমা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি।
পরিশেষে বর্তমান ক্ষমতাশালী এমপিদের অবশ্যই এই ধরনের ঘটনাগুলো সোনার বাংলা গড়ার জন্য সহায়ক ভূমিকা নিবে।

#সংগৃহীত